Wednesday, January 14, 2026

রঙ্কিণীতলা

 

রঙ্কিণীতলা

সিমলাপালের লক্ষ্মীসাগর অঞ্চলের শ্যামপুর মৌজায় লোকদেবী রঙ্কিণীদেবীর মন্দির অবস্থিত। ১৯৪২ খৃষ্টাব্দে রাজা চৈতন্য সিংহ চৌধুরী মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা  করেন। বৈকুন্ঠ চক্রবর্তী প্রথম পুরোহিত নিযুক্ত হন। 

জয়রামবাটী

 

জয়রামবাটী

 

১৮৫৩ সালের ২২ শে ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কৃষ্ণ সপ্তমীতে এই স্থানেই জন্মগ্রহণ করেন মা সারদা। ১৯২৩ সালের ১৯ শে এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার পূণ্যলগ্নে স্বামী সারদানন্দজী মাতৃমন্দিরটি নির্মান করেন। সারদা মায়ের দেহাস্থি এই মন্দিরে স্থাপন করা হয়। মায়ের পিতা রামচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের বাস্তুভিটা ছিল এই স্থানেই।১৯৫৩ সালের শুভ বাসন্তি শুক্লা ষষ্ঠিতে মায়ের শ্বেত পাথরের মূর্তি নির্মিত হয়। পুকুরটিতে মা এবং তার পরিবার পরিজনেরা স্নান করত। আছে একটি গেস্ট হাউজ। আছে একটি খামার বাড়ী যেখানে কপি, মূলো প্রভৃতি চাষ করা হয়। আছে একট গোয়ালঘর। সুসজ্জিত মাতৃমন্দির প্রাঙ্গন। মায়ের মাতা শ্যামাসুন্দরী দেবীর বাসগৃহটিও বর্তমান। সারদা মায়ের পুরাতন গৃহটিও আছে যেখানে ১৮৬৩ সাল থেকে ১৯১৫ সাল অবধি তিনি এখানে ছিলেন। সুরোবালা দেবীর বাড়ীটিও বর্তমান। 

 

বামনিসিনি

 

বামনিসিনি

 

রানীবাঁধের অনতি দূরে অবস্থিত এই বামনিসিনি পাহাড়। এটি বাঁকুড়ার তৃতীয় উচ্চতম পাহাড়। উচ্চতা প্রায় ৮০০ ফুট। পাহাড়টি খুব খাড়া, যে কারণে এই পাহাড়ে উঠা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। রানীবাঁধ ঢোকার ঠিক আগে যে চঙ্গার মোড় স্টপেজ রয়েছে সেখানে নেমে পশ্চিম মুখের রাস্তাটি ধরে প্রায় কিছুটা এগিয়ে যেতে হবে, তারপর ডানদিকে গিয়ে চোখে পড়বে পাহাড়। এখানে পৌষ সংক্রান্তির সময় মেলা বসে। একেবারে উপরে বামনিসিনি দেবীর মন্দির অবস্থিত।

বিসিন্দা পাহাড়

 

বিসিন্দা পাহাড়

 

গঙ্গাজলঘাটি থেকে অনতি দূরে অনতি উচ্চ একটি পাহাড় বিসিন্দা পাহাড়। একেবারে উপরে রয়েছে মা  নাচন চন্ডীর মন্দির। দোল পূর্ণিমার সময় পাঁচদিন ধরে হরিনাম কীর্তন হয় এবং পাহাড়ের নিচে মেলা বসে। পাহাড়ে একটি গুহা রয়েছে যেটিতে অতীতে এক বাঘ বাস করত। পাহাড়ের নিচে রয়েছে একটি গেস্ট হাউস। দুটি রুম রয়েছে ওখানে। আগের থেকে বুকুং করে নেওয়াই ভালো।বুকিং করতে ৯৪৩৪৯৯৯৩৪৬ অথবা ৯৭৩৫৮৪২৮৫১ নম্বরে জীতেন গরাইকে ফোন করে নেবেন।  পাহাড়ের উপর থেকে দেখতে পাবেন আযোধ্যা পাহাড়, শুশুনিয়া পাহাড়, কোড়ো পাহাড়, গড় পঞ্চকোট।                

কোড়ো পাহাড়

 

কোড়ো পাহাড়

 

বাঁকুড়ার পর্যটন মানচিত্রে আর একটি সংযোজন কোড়ো পাহাড়। উচ্চতা আনুমানিক ৪০০ মিটার। বাঁকুড়ার অনতি দূরেই অবস্থিত পাহাড়টি। বাঁকুড়া দিক থেকে গেলে অমরকানন ঢোকার আগেই যে রাস্তাটি ডানদিকে চলে গেছে সেই রাস্তা ধরে ৩কিলোমিটার গেলেই পাওয়া যাবে কোড়ো পাহাড়। দারুন মনোরম পরিবেশ। শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশ। একেবারে উপরে রয়েছে দেবী অষ্টভূজার মন্দির। মন্দিরের চারিদিক প্রাচীরে ঘেরাদেওয়াল জুড়ে লেখা মূল্যবান বাণী। মন্দিরের উপরে উঠার জন্য আছে সিমেন্টের বাঁধানো সিড়ি। উপর থেকে নিচের ভিউ অসাধারন। 

রঙ্কিণীতলা

  রঙ্কিণীতলা সিমলাপালের লক্ষ্মীসাগর অঞ্চলের শ্যামপুর মৌজায় লোকদেবী রঙ্কিণীদেবীর মন্দির অবস্থিত। ১৯৪২ খৃষ্টাব্দে রাজা চৈতন্য সিংহ চৌধুরী ...